ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, মৎস্য সম্পদ বাংলাদেশের রূপালি সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মৎস্য খাতকে আধুনিক, টেকসই ও স্বনির্ভর করতে কাজ করে যাচ্ছে। রাজশাহীর জীবিত মাছ বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে সরাসরি মাছ রপ্তানির জন্য কার্গো বিমান চলাচলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের মৎস্য পক্ষের প্রতিপাদ্য-রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাছের গুণগত মান ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৎস্য খাদ্যের (ফিড) মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অসাধু উপায়ে তৈরি কিংবা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর উপাদানে তৈরি ফিশ ফিড ব্যবহার থেকে মৎস্য চাষিদের বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে চিংড়ির মতো মূল্যবান মৎস্যসম্পদ যাতে বিদেশের বাজারে ভাবমূর্তি না হারায়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, রাজশাহী থেকে সরাসরি সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে জীবিত মাছ রপ্তানির লক্ষ্যে কার্গো বিমান চলাচল এবং রাজশাহী বিমানবন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে রাজশাহীতে দ্রুত একটি অত্যাধুনিক মৎস্য টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করা হবে।
ভবিষ্যতে মিঠা পানিকে বাংলাদেশের বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মিঠা পানির সম্পদে বাংলাদেশ অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ২০২৭ সালের মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ এবং বরনাই নদীতে চাইনিজ রাবার ড্যাম নির্মাণের মাধ্যমে সারা বছর পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হবে। এতে মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটবে।
মৎস্য চাষে রাজশাহীর সাকলাইনকে মডেল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তরুণ প্রজন্মকে কৃষিকাজ ও মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষিত তরুণরা মৎস্য খাতে যুক্ত হলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, একসময় মাছ ছিল আমার নির্বাচনী প্রতীক। আমি সবসময় সাধারণ মৎস্যজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে তাদের হৃদয়ের ভাষা বোঝার চেষ্টা করি।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোঃ সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী, মৎস্য চাষি, ফিড মিল মালিক, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সফল মৎস্য চাষি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।
এর আগে তিনি রাজশাহী কালেক্টরেট পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে চিড়িয়াখানা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের মৎস্য পক্ষের প্রতিপাদ্য-রূপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাছের গুণগত মান ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মৎস্য খাদ্যের (ফিড) মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অসাধু উপায়ে তৈরি কিংবা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর উপাদানে তৈরি ফিশ ফিড ব্যবহার থেকে মৎস্য চাষিদের বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে চিংড়ির মতো মূল্যবান মৎস্যসম্পদ যাতে বিদেশের বাজারে ভাবমূর্তি না হারায়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, রাজশাহী থেকে সরাসরি সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে জীবিত মাছ রপ্তানির লক্ষ্যে কার্গো বিমান চলাচল এবং রাজশাহী বিমানবন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে রাজশাহীতে দ্রুত একটি অত্যাধুনিক মৎস্য টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করা হবে।
ভবিষ্যতে মিঠা পানিকে বাংলাদেশের বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মিঠা পানির সম্পদে বাংলাদেশ অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ২০২৭ সালের মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ এবং বরনাই নদীতে চাইনিজ রাবার ড্যাম নির্মাণের মাধ্যমে সারা বছর পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হবে। এতে মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটবে।
মৎস্য চাষে রাজশাহীর সাকলাইনকে মডেল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তরুণ প্রজন্মকে কৃষিকাজ ও মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষিত তরুণরা মৎস্য খাতে যুক্ত হলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, একসময় মাছ ছিল আমার নির্বাচনী প্রতীক। আমি সবসময় সাধারণ মৎস্যজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে তাদের হৃদয়ের ভাষা বোঝার চেষ্টা করি।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোঃ সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী, মৎস্য চাষি, ফিড মিল মালিক, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সফল মৎস্য চাষি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।
এর আগে তিনি রাজশাহী কালেক্টরেট পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে চিড়িয়াখানা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :